নিয়ামতি ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সোহেল ফরাজিকে ঘিরে এলাকায় নানা অভিযোগ ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় একটি মহলের দাবি, অতীতে কলেজ পরিচালনা, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং ব্যক্তিগত আচরণ নিয়ে তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা আদালতের চূড়ান্ত রায় সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, নিয়ামতি সি এন বি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক জামাল উদ্দিনের সঙ্গে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার সময় তাকে অপমান ও চাপ প্রয়োগ করা হয়েছিল। অভিযোগকারীদের দাবি, ওই ঘটনার ফলে কলেজ ও এলাকায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এছাড়া কিছু রাজনৈতিক কর্মীর অভিযোগ, ইউনিয়নের রাজনৈতিক পরিবেশে প্রভাব বিস্তার এবং নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন সময় সংঘাতময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগকারীরা দাবি করেন, এসব ঘটনার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন বলে তারা মত প্রকাশ করেন।
স্থানীয়ভাবে আরও অভিযোগ রয়েছে যে, কলেজ-সংক্রান্ত কিছু সম্পত্তি ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগকারীরা বিষয়গুলো তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, অভিযুক্তদের সমর্থকরা এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।
নিয়ামতি সি এন বি কলেজের প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নে অধ্যাপক জামাল উদ্দিনের অবদানের কথা উল্লেখ করে অনেকেই তার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে তিনি প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এবং তার অবদান স্মরণ রাখা উচিত।
এলাকার সচেতন মহল মনে করে, রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা ও মতপার্থক্য থাকলেও তা যেন শালীনতা ও আইনের সীমার মধ্যে থাকে। তারা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা, আসন্ন যেকোনো নির্বাচনী কার্যক্রম শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা নির্ধারণ করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।