ঢাকা, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬,
সময়: ১০:৩৭:৩৪ PM
এক বছরে হাসিনার খাবার খরচ ৩৫ কোটি টাকা:অর্থমন্ত্রী সংসদীয় কার্যক্রমে নতুন পরিবেশ ও প্রতীকী স্বামীকে হারানোর পর কঠিন সিদ্ধান্তে পেচিয়াম্মাল প্রকল্প বাস্তবায়ন ও স্বচ্ছতা নিয়ে অভিযোগ সাত জেলায় মৃত্যু ৫১ ,ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখ মানুষ ট্রাকচাপায় একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪ টানা বর্ষণে বিপর্যস্ত জনজীবন চরম দুর্ভোগ মানুষ সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিতে আর্জেন্টিনা খাল পুনঃখনন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাসচাপায় ৫ জন নিহত পুলিশে অবিশ্বাস ও অপপ্রচারে শৃঙ্খলায় সংকট বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল ঘিরে নতুন নেতৃত্বের প্রস্তুতি চট্টগ্রামে বন্যায় কৃষি ও মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষতি চালের মজুত আছে, তবু কমছে না বাজারদর ফাঁসির দড়ি অপেক্ষা করছে হাসিনার জন্য:নাহিদ শ্বশুরের বিরুদ্ধে গৃহবধূকে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ মানবাধিকার কর্মী আইরিন খাঁন এনির সঙ্গে পদবঞ্চিত যুব নেতাদের সাক্ষাৎ দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর বেশকিছু গৃহীত পদক্ষেপ নোয়াখালীতে দল গোছাতে মাঠে জয়নুল আবদিন ফারুক ছাত্রদলের কমিটিকে ঘিরে আলোচনায় একাধিক নেতা ঢাবিকে কেন্দ্র করে গোপন তৎপরতা ছাত্রলীগের দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করবে শেখ হাসিনা ভোলার চরফ্যাশনে প্রেমে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ওয়াকার-উজ-জামানের কর্মজীবন ও সংকটকালীন ভূমিকা বরিশাল বিভাগ উন্নয়নের প্রত্যাশার আলো যুগ্মসচিব পদে ১৭২ কর্মকর্তার পদোন্নতি নিজেদের প্রণীত আইনেই তদন্তের মুখে আ’ লীগ জনবলের অভাবে বন্ধ ৪০০০ কোটির প্রতিষ্ঠান নিবন্ধনহীন ফার্মেসি: নিয়ন্ত্রণহীন ওষুধের বাজার
নির্বাচনী সহিংসতা রোধে পদেক্ষপ নিন: ফারুক জামায়াত-শিবির দেশের জন্য ভালোবাসার প্রতীক: ড.মাসুদ উপসাগরজুড়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বাঞ্ছারামপুরে সাকি বিরোধী মিছিল, বয়কটের ঘোষণা আমান উল্লাহ :গণতন্ত্র ও জনসেবার এক জীবন্ত প্রতীক সই করেছেন, ‘না’র সুযোগ নেই: বিএনপিকে পাটওয়ারী বিশ্বে বাংলার সুরকে ছড়িয়ে দিতে চাই:দিনা মন্ডল দক্ষিন যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক হলেন শাহ মো.মাসুম বিল্লাহ শহিদ রমজানের পিতার অশ্রুসিক্ত চোখে গণঅভ্যুত্থান প্রত্যাশার তুলনায় প্রাপ্তি কম এই কেমন বিচার? জানা গেল কারন রেড ক্রিসেন্ট জিম্মি সুলতান-সোহাগ সিন্ডিকেটে কমিউনিটি ক্লিনিক কর্মীদের বেতন বন্ধ ৭ মাস কেরানীগঞ্জে বেপরোয়া তাতীলীগ সভাপতি মোল্লা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ফয়সালের কত সম্পদ গোটা জাতি এই বৈঠকের’ দিকে তাকিয়ে আছে:রিজভী এনসিপিতে যোগদিল বিভিন্ন দলের ৩ শতাধিক নেতাকর্মী মির্জা আব্বাস:এক লড়াকু রাজনীতির দীর্ঘ পথচলা হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান ইসরায়েলের মাফিয়াতন্ত্রের বাংলাদেশ দেখতে চাই না:জামায়াত সুবিধাবাদী ও উল্টোপথে চলা দল জামায়াত:লিটন মাহমুদ উপন্যাস:“লুচ্চা” প্রেসিডেন্ট সিভিল ডিফেন্স পদক ২০২৫ পেলেন হাবিজুর দিনার কন্ঠে মৌলিক গান 'মনে রইলো কষ্ট' মানুষের মৃত্যু ‘দেখতে পায়’ বিড়াল? কে কোথায় আছেন?আ’ লীগের শীর্ষ নেতারা বাঞ্ছারামপু‌রে রাস্তা নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১০ বরিশাল শিল্পকলা ফের রঙ্গশালা বানানোর ষড়যন্ত্র ! এমপি হতে চাইছেন বরিশাল বিভাগের ১৯ ছাত্রনেতা পাক তারকার সঙ্গে সম্পর্কে দুই বাঙালি নায়িকা!

খালেদা জিয়ার সাথে সফরের স্মৃতিচারন নুরুল ইসলাম মাসুদের

সহজ পথ বোধ হয় এই আর্জেন্টিনার জন্য নয়। কেপ ভার্দের পর সুইজারল্যান্ডও বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের টেনে নিয়ে গেল অতিরিক্ত সময়ে। একজন কম নিয়ে খেলা সুইসদের প্রতিরোধ শেষ পর্যন্ত ভাঙলেন হুলিয়ান আলভারেজ। তার দুর্দান্ত গোলের পর লাউতারো মার্তিনেজের গোলে সুইজারল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা।

কানসাস সিটিতে নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে ম্যাচের স্কোর ছিল ১-১। অতিরিক্ত সময়ের ১১২ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন আলভারেজ, পরে যোগ করা সময়ে সুইস কফিনে শেষ পেরেক দেন লাউতারো। সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড, যারা দিনের অন্য কোয়ার্টার ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের পর নরওয়েকে ২-১ গোলে হারিয়েছে।

আর্জেন্টিনা এগিয়ে যায় ম্যাচের দশম মিনিটেই। বাঁ দিক থেকে লিওনেল মেসির মাপা কর্নারে কাছের পোস্টে উঠে মাথা ছোঁয়ান অ্যালেক্সিস ম্যাক আলিস্টার। তার হেড দূরের কোণ দিয়ে জালে জড়ালে কোনো সুযোগ পাননি সুইস গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল।

গোলটি ম্যাক আলিস্টারের হলেও ইতিহাসের পাতায় আবারও নাম ওঠে মেসির। বিশ্বকাপে এটি তার দশম অ্যাসিস্ট। চলতি আসরে আট গোলের পাশাপাশি দ্বিতীয়বার সতীর্থকে দিয়ে গোল করালেন ৩৯ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

শুরুর গোলটি অবশ্য আর্জেন্টিনাকে পুরোপুরি স্বস্তি দিতে পারেনি। প্রথম ২০ মিনিটে বলের দখলে এগিয়ে ছিল সুইজারল্যান্ড। ডি-বক্সের বাইরে থেকে জিব্রিল সোর জোরালো শট ঠেকান এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। পরে ব্রিল এমবোলোর সামনে এগিয়ে এসে আরেকটি সম্ভাব্য বিপদ সামলান আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক।

গোল করার পর আক্রমণের ধারও হারিয়ে ফেলে আর্জেন্টিনা। ম্যাক আলিস্টারের গোলের পর প্রথমার্ধের বাকি ৩৫ মিনিটে আর কোনো শট নিতে পারেনি লিওনেল স্কালোনির দল। সুইজারল্যান্ড বলের দখল রাখলেও বিরতির আগে সমতায় ফেরার মতো পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের চিত্র বদলে দেয় সুইসরা। দান এনদোয়ের হেড ঠেকানোর পর গ্রানিত জাকার দূরপাল্লার শটও রুখে দেন মার্তিনেস। তবে ৬৭ মিনিটে আর পারেননি।

রিকার্দো রদ্রিগেজের সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়া করে আর্জেন্টিনার বক্সের বাঁ দিক দিয়ে ঢুকে পড়েন এনদোয়ে। শরীর খুলে ডান পায়ের শটে বল পাঠান দূরের কোণে। মার্তিনেজকে পরাস্ত করে সুইজারল্যান্ডকে ১-১ সমতায় ফেরান নটিংহাম ফরেস্টের এই ফরোয়ার্ড।

সমতায় ফেরার পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও সুইসদের দিকে চলে যাচ্ছিল। কিন্তু পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ঘটে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা।

এম্বোলোর পড়ে যাওয়াকে প্রথমে পারেদেসের ফাউল হিসেবে ধরে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি জোয়াও পিনেইরো। ভিএআর রেফারিকে সিদ্ধান্তটি পর্যালোচনার পরামর্শ দেয়। রিপ্লে দেখে পারেদেসের হলুদ কার্ড বাতিল করেন রেফারি। উল্টো ফাউলের অভিনয় করার অপরাধে এমবোলোকে হলুদ দেখান।

প্রথমার্ধের ৪৪ মিনিটে পারেদেসকে দেরিতে চ্যালেঞ্জ করার কারণে আগেই একটি হলুদ কার্ড দেখেছিলেন এমবোলো। ফলে দ্বিতীয় হলুদের পর লাল কার্ড দেখে ৭২ মিনিটে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। চোখের পানি নিয়ে টানেলে ফিরে যান সুইস ফরোয়ার্ড।

একজন বেশি নিয়েও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেনি আর্জেন্টিনা। পাঁচজনের রক্ষণভাগ তৈরি করে নিজেদের বক্সের সামনে দেয়াল তুলে দেয় সুইজারল্যান্ড। শেষ দিকে মেসির বাঁকানো শট অল্পের জন্য বাইরে যায়। যোগ করা সময়ের শেষ মুহূর্তে লিসান্দ্রো মার্তিনেজের প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে নিয়ে যান কোবেল।

অতিরিক্ত সময়ের শুরু থেকেই ১০ জনের সুইজারল্যান্ডকে চেপে ধরে আর্জেন্টিনা। বদলি নামা থিয়াগো আলমাদার দুটি প্রচেষ্টা সামলান কোবেল। মেসির ফ্রি-কিক আটকে যায় মানবদেয়ালে, ক্রিস্তিয়ান রোমেরোর হেড চলে যায় বাইরে। প্রথম ১৫ মিনিটেও সুইস প্রতিরোধ ভাঙতে পারেনি বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

অবশেষে ১১২ মিনিটে আসে অপেক্ষার অবসান। দুই মিনিট আগে মাঠে নামা হোসে মানুয়েল লোপেজের পাস বক্সের বাঁ প্রান্তে পান আলভারেজ। কয়েকটি স্পর্শে জায়গা তৈরি করে ডান পায়ের বাঁকানো শট নেন তিনি। কোবেলের নাগালের বাইরে দিয়ে বল জড়িয়ে যায় দূরের ওপরের কোণে।

চলতি বিশ্বকাপে এটিই আলভারেজের প্রথম গোল। এমন একটি সময়ে সেটি এলো, যখন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ধরে রাখার অভিযানে আরেকটি হতাশাজনক টাইব্রেকারের শঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

শেষ আট মিনিটে আর সমতায় ফিরতে পারেনি সুইজারল্যান্ড। উল্টো তারা যোগ করা সময়ে গোল খেয়ে বসে।

১০ জন নিয়েও দীর্ঘ সময় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের আটকে রাখা দলটি বিদায় নিয়েছে মাথা উঁচু করেই। আর টানা তৃতীয় নকআউট ম্যাচে কঠিন পরীক্ষা পেরিয়ে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল আর্জেন্টিনা।

এবার সামনে ইংল্যান্ড। আটলান্টায় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে বিশ্বকাপ ইতিহাসের দুই পুরোনো প্রতিদ্বন্দ্বী।

সংগীতের সুর আর মাটির গন্ধে মিশে থাকে বাউল গান। আর সেই সুরের মূর্ছনায় মাত্র ১৮ বছর বয়সেই সংগীতপিপাসু লাখো মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন তরুণ শিল্পী সুমাইয়া সিকদার, যিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘টুকটুকি বাউল’ নামে পরিচিত। ফরিদপুর জেলার ইশান গোপালপুর গ্রামের এই মেধাবী শিল্পী তার দরদভরা কণ্ঠের মাধ্যমে বাউল ও লোকসংগীতকে নতুন প্রজন্মের কাছে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন।
​সংগীতের হাতেখড়ি ও অনুপ্রেরণা
তিন বোনের মধ্যে সবার বড় টুকটুকি। সংগীতের প্রতি তার এই গভীর অনুরাগ মূলত পারিবারিক আবহ থেকে পাওয়া। তার বাবা মো. টোকোন সিকদার ও মা রোজিনা বেগমের আজন্ম স্বপ্ন ছিল, তাদের মেয়ে একদিন দেশের সীমানা পেরিয়ে বড় শিল্পী হবে। বাবার সেই স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যেই খুব ছোটবেলা থেকে সংগীতের জগতে হাতেখড়ি টুকটুকির।
​এ বিষয়ে টুকটুকি বাউল আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “আমার বাবা-মায়ের স্বপ্নই আমার বেঁচে থাকার প্রেরণা। ছোটবেলায় যখনই সুরের টান অনুভব করেছি, বাবা আমার পাশে থেকে উৎসাহ জুগিয়েছেন। গান শুধু আমার নেশা নয়, গানেই আমি প্রকৃত শান্তি খুঁজি। মানুষের ভালোবাসার যে সাগরে আমি ভেসেছি, তা সত্যিই ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমি চাই আমার গানের মধ্য দিয়ে লোকসংগীতের ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে এবং সব বয়সী মানুষের হৃদয়ে নিজের একটি স্থায়ী জায়গা তৈরি করতে।”
​সংগ্রামের গল্প: মঞ্চে দীর্ঘ প্রতীক্ষা
টুকটুকির পথচলা মোটেও মসৃণ ছিল না। সংগীতের প্রতি প্রবল টান থাকলেও তাকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। এমন অনেক রাত গেছে, যখন মঞ্চে দীর্ঘ সময় বসে থেকেও গান গাওয়ার সুযোগ পাননি তিনি। অনেক ক্ষেত্রে আয়োজকদের অবহেলায় গান না গেয়েই ফিরতে হয়েছে তাকে। কিন্তু শিল্পীসত্তা দমাতে পারেনি এই তরুণীকে। এই কঠিন সময়গুলোই তাকে আরও শক্তিশালী করেছে।
​তিনি বলেন, “মঞ্চে বসে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও গান গাইতে না পারার যন্ত্রণা আমাকে অনেক রাত কাঁদানোর সুযোগ করে দিয়েছিল। কিন্তু হাল ছাড়িনি। আমি মনে করেছি, আমার যোগ্যতা প্রমাণ করতে হলে আমাকে আরও সাধনা করতে হবে। সেই সব দিনগুলোই আমাকে আজকের এই দৃঢ় অবস্থানে নিয়ে এসেছে।”
​গুরুর সান্নিধ্য ও শিক্ষা
টুকটুকির সংগীত সাধনার পথে প্রথম গুরু ছিলেন নিজামুদ্দিন লালনী। বর্তমানে তিনি সংগীতের তালিম নিচ্ছেন বিশিষ্ট সংগীত গুরু কাজী দলিলুদ্দীনের কাছ থেকে।
​গুরু কাজী দলিলুদ্দীন তার শিষ্যা সম্পর্কে বলেন, “টুকটুকির কণ্ঠের মধ্যে এক ধরণের অদ্ভুত মায়া ও আধ্যাত্মিকতা আছে। তবে শুধু কণ্ঠই নয়, তার মধ্যে যা আছে তা হলো ‘ধৈর্য’। বাউল সাধনায় ধৈর্যের কোনো বিকল্প নেই। সে যে প্রতিকূলতা পার করে আজ উঠে এসেছে, তা দেখে আমি মুগ্ধ। সে যদি নিয়মিত এভাবে সাধনা চালিয়ে যেতে পারে, তবে বাউল গানের জগতে সে অনেক দূর যাবে বলে আমার বিশ্বাস।”
​বাবার স্মৃতিচারণ করে বাবা মো. টোকোন সিকদার বলেন, “আমার মেয়ে যখন ছোট, তখন থেকেই তার গলার আওয়াজ ছিল আলাদা। সে অনেক অবহেলা আর কষ্টের মধ্য দিয়ে আজকের এই জায়গায় এসেছে। আমার স্বপ্ন ছিল সে মানুষের শিল্পী হবে, আজ লাখো মানুষ তাকে চেনে, ভালোবাসে—এটাই আমার জীবনের বড় প্রাপ্তি।”
​পড়াশোনার পাশাপাশি গানের চর্চায় নিজেকে যেভাবে নিয়োজিত রেখেছেন টুকটুকি, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। টুকটুকি ২০২৫ সালে ফরিদপুর ইয়াসিন কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন। তার কণ্ঠে লোকসংগীতের প্রতিটি কলি যেন জীবন্ত হয়ে ওঠে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার নিয়মিত পরিবেশনাগুলো মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়, যা প্রমাণ করে বাংলা মাটির গানের আবেদন আজও কতটা অটুট।
​নতুন এই প্রতিভাবান বাউল শিল্পীর আগামী দিনের পথচলা আরও সাফল্যমণ্ডিত হোক, ফরিদপুরসহ দেশবাসীর এটাই প্রত্যাশা।