ঢাকা, শনিবার ১০ই ডিসেম্বর ২০২২ , বাংলা - 

রাত পোহালেই শুরু বিশ্বকাপ ফুটবল

স্টাফ রিপোর্টার ।।ঢাকাপ্রেস২৪.কম

2022-11-19
রাত পোহালেই শুরু বিশ্বকাপ ফুটবল

আর মাত্র কয়েকঘণ্টা। রাত পোহালেই বিশ্বকাপের দিন। রোববার মরুর দেশ কাতারে শুরু হচ্ছে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত ও আকর্ষণীয় ইভেন্ট বিশ্বকাপ ফুটবল। ৩২ দেশের এই মহারণ ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবল প্রিয় মানুষের উত্তেজনা তুঙ্গে।চার বছর ধরে অপেক্ষার যে পালা, তা শেষ হবে রোববার বাংলাদেশ সময় রাত ১০ টায়। কাতারের আল বাইত স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক দেশ কাতার এবং লাতিন আমেরিকার অন্যতম শক্তিশালী দল ইকুয়েডর।

 

 

বিশ্বকাপ ঘিরে বাংলাদেশের মানুষ দুই ভাগে বিভক্ত। মেসির আর্জেন্টিনা ও নেইমারের ব্রাজিলকে ঘিরেই এই জনপথের মানুষের সর্বাধিক আগ্রহ। অন্য কিছু দলর সমর্থক থাকলেও তা ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার তুলনায় নগণ্য।

 

ডড়ৎষফ পঁঢ়

 

রাত জেগে বিশ্বকাপের খেলা দেখার জন্য দর্শক-সমর্থকরাও প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে। প্রিয় দলের পতাকা উত্তোলন করে এবং ব্যানার টানিয়ে বিশ্বকাপকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ফুটবলপ্রেমীরা। সবার এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা সেই মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য।

 

ফুটবল যে বাঙালির প্রাণের খেলা সেটা প্রমাণ হয় চার বছর পর বিশ্বকাপ আসলে। বিশ্বকাপের সময় বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে উৎসব-আনন্দে মেতে ওঠে তা অবাক করার মতো। নিজেদের দেশ বিশ্বকাপের কাছাকাছি যেতে না পারলেও অন্যদেশ নিয়ে আনন্দের কমতি নেই। এমনকি ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকরা মারামারি পর্যন্ত করে বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে। যা ভিনদেশের গণমাধ্যমে খবরের রসদ জোগায়।

 

পথে-ঘাটে, অফিস-আদলতে এখন প্রধান আলোচনা বিশ্বকাপ। মেসির আর্জেন্টিনা জিতবে? নাকি নেইমারের ব্রাজিল? রোনালদোর পর্তুগালই বা কতদূর গিয়ে থামবে। নাকি এক আসর বিরতি দিয়ে জার্মানি আবার বাজিমাত করবে বিশ্ব্কাপ? এসব তর্ক এখন মানুষের মুখেমুখে। এই দলগুলোর বাইরে ফ্রান্স, স্পেন ও ইংল্যান্ডকেও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দাবিদার মানছে অনেকে।

 

শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে দামী এই ট্রফি কাদের হাতে উঠবে তা দেখতে অপেক্ষা করতে হবে এক মাস। ১৮ডিসেম্বর ফাইনালের পরই পাওয়া যাবে কাতারজয়ী দলটির নাম। স্বাগতিক কাতার বিশ্বকাপ জেতার সম্ভাব্য দেশগুলোর তালিকায় না থাকলেও আয়োজক হিসেবে দেশটি কতদূর যেতে পারে তাও আলোচনায় রয়েছে।

 

ডড়ৎষফ পঁঢ়

 

এশিয়ায় দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রথমবার হয়েছিল ২০০২ সালে জাপান-কোরিয়ায়। প্রথম এশিয়ায় হওয়া বিশ্বকাপের ট্রফি উড়িয়ে নিয়েছিল পেলের দেশ ব্রাজিল।

 

২০১৪ সাল বিশ্বকাপের সর্বাধিক চ্যাম্পিয়ন দেশটি আয়োজক হিসেবে পার হতে পারেনি সেমিফাইনালের গণ্ডি। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে দেশটি নাস্তানুবুদ হয়েছিল জার্মানির কাছে। শেষ পর্যন্ত জার্মানি প্রথম ইউরোপিয়ান দেশ হিসেবে লাতিন আমেরিকা থেকে জিতে ফিরেছিল ট্রফি নিয়ে। রাশিয়া বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পরিচয় দেওয়া জার্মানিকেও এবার ধরা হচ্ছে অন্যতম ফেবারিট।

 

৩২টি দেশ বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে ৮ গ্রুপে ভাগ হয়ে। ‘এ’ গ্রুপে স্বাগতিক কাতারের সঙ্গে আছে ইকুয়েডর, নেদারল্যান্ডস ও সেনেগাল। ‘বি’ গ্রুপের ইংল্যান্ডের সাথে আছে ওয়েলস, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। ‘সি’ গ্রুপের দলগুলো হচ্ছে-আর্জেন্টিনা, সৌদি আরব, পোল্যান্ড ও মেক্সিকো।

 

‘ডি’ গ্রুপের চার দল হচ্ছে- ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, ডেনমার্ক ও তিউনেসিয়া। ‘ই’ গ্রুপে আছে স্পেন, জার্মানি, কোস্টারিকা ও জাপান। ‘এফ’ গ্রুপের চার দল হচ্ছে- বেলজিয়াম, কানাডা, মরোক্কো ও ক্রোয়েশিয়া। ‘জি’ গ্রুপের দলগুলো হচ্ছে- ব্রাজিল, সার্বিয়া, সুইজারল্যান্ড ও ক্যামরুন। ‘এইচ’ গ্রুপে আছে পর্তুগাল, ঘানা, উরুগুয়ে এবং দক্ষিণ কোরিয়া।আর মাত্র কয়েকঘণ্টা। রাত পোহালেই বিশ্বকাপের দিন। রোববার মরুর দেশ কাতারে শুরু হচ্ছে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত ও আকর্ষণীয় ইভেন্ট বিশ্বকাপ ফুটবল। ৩২ দেশের এই মহারণ ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবল প্রিয় মানুষের উত্তেজনা তুঙ্গে।

 

চার বছর ধরে অপেক্ষার যে পালা, তা শেষ হবে রোববার বাংলাদেশ সময় রাত ১০ টায়। কাতারের আল বাইত স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক দেশ কাতার এবং লাতিন আমেরিকার অন্যতম শক্তিশালী দল ইকুয়েডর।

 

 

বিশ্বকাপ ঘিরে বাংলাদেশের মানুষ দুই ভাগে বিভক্ত। মেসির আর্জেন্টিনা ও নেইমারের ব্রাজিলকে ঘিরেই এই জনপথের মানুষের সর্বাধিক আগ্রহ। অন্য কিছু দলর সমর্থক থাকলেও তা ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার তুলনায় নগণ্য।

 

ডড়ৎষফ পঁঢ়

 

রাত জেগে বিশ্বকাপের খেলা দেখার জন্য দর্শক-সমর্থকরাও প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে। প্রিয় দলের পতাকা উত্তোলন করে এবং ব্যানার টানিয়ে বিশ্বকাপকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ফুটবলপ্রেমীরা। সবার এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা সেই মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য।

 

ফুটবল যে বাঙালির প্রাণের খেলা সেটা প্রমাণ হয় চার বছর পর বিশ্বকাপ আসলে। বিশ্বকাপের সময় বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে উৎসব-আনন্দে মেতে ওঠে তা অবাক করার মতো। নিজেদের দেশ বিশ্বকাপের কাছাকাছি যেতে না পারলেও অন্যদেশ নিয়ে আনন্দের কমতি নেই। এমনকি ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকরা মারামারি পর্যন্ত করে বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে। যা ভিনদেশের গণমাধ্যমে খবরের রসদ জোগায়।

 

পথে-ঘাটে, অফিস-আদলতে এখন প্রধান আলোচনা বিশ্বকাপ। মেসির আর্জেন্টিনা জিতবে? নাকি নেইমারের ব্রাজিল? রোনালদোর পর্তুগালই বা কতদূর গিয়ে থামবে। নাকি এক আসর বিরতি দিয়ে জার্মানি আবার বাজিমাত করবে বিশ্ব্কাপ? এসব তর্ক এখন মানুষের মুখেমুখে। এই দলগুলোর বাইরে ফ্রান্স, স্পেন ও ইংল্যান্ডকেও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দাবিদার মানছে অনেকে।

 

শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে দামী এই ট্রফি কাদের হাতে উঠবে তা দেখতে অপেক্ষা করতে হবে এক মাস। ১৮ডিসেম্বর ফাইনালের পরই পাওয়া যাবে কাতারজয়ী দলটির নাম। স্বাগতিক কাতার বিশ্বকাপ জেতার সম্ভাব্য দেশগুলোর তালিকায় না থাকলেও আয়োজক হিসেবে দেশটি কতদূর যেতে পারে তাও আলোচনায় রয়েছে।

 

ডড়ৎষফ পঁঢ়

 

এশিয়ায় দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রথমবার হয়েছিল ২০০২ সালে জাপান-কোরিয়ায়। প্রথম এশিয়ায় হওয়া বিশ্বকাপের ট্রফি উড়িয়ে নিয়েছিল পেলের দেশ ব্রাজিল।

 

২০১৪ সাল বিশ্বকাপের সর্বাধিক চ্যাম্পিয়ন দেশটি আয়োজক হিসেবে পার হতে পারেনি সেমিফাইনালের গণ্ডি। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে দেশটি নাস্তানুবুদ হয়েছিল জার্মানির কাছে। শেষ পর্যন্ত জার্মানি প্রথম ইউরোপিয়ান দেশ হিসেবে লাতিন আমেরিকা থেকে জিতে ফিরেছিল ট্রফি নিয়ে। রাশিয়া বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পরিচয় দেওয়া জার্মানিকেও এবার ধরা হচ্ছে অন্যতম ফেবারিট।

 

৩২টি দেশ বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে ৮ গ্রুপে ভাগ হয়ে। ‘এ’ গ্রুপে স্বাগতিক কাতারের সঙ্গে আছে ইকুয়েডর, নেদারল্যান্ডস ও সেনেগাল। ‘বি’ গ্রুপের ইংল্যান্ডের সাথে আছে ওয়েলস, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। ‘সি’ গ্রুপের দলগুলো হচ্ছে-আর্জেন্টিনা, সৌদি আরব, পোল্যান্ড ও মেক্সিকো।

 

‘ডি’ গ্রুপের চার দল হচ্ছে- ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, ডেনমার্ক ও তিউনেসিয়া। ‘ই’ গ্রুপে আছে স্পেন, জার্মানি, কোস্টারিকা ও জাপান। ‘এফ’ গ্রুপের চার দল হচ্ছে- বেলজিয়াম, কানাডা, মরোক্কো ও ক্রোয়েশিয়া। ‘জি’ গ্রুপের দলগুলো হচ্ছে- ব্রাজিল, সার্বিয়া, সুইজারল্যান্ড ও ক্যামরুন। ‘এইচ’ গ্রুপে আছে পর্তুগাল, ঘানা, উরুগুয়ে এবং দক্ষিণ কোরিয়া।