ঢাকা, শনিবার ১০ই ডিসেম্বর ২০২২ , বাংলা - 

প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক শেরপুরে ১৬১ গৃহ হস্তান্তর

হামিদুর রহমান, শেরপুর সদর উপজেলা প্রতিনিধি ॥ ঢাকাপ্রেস২৪.কম

2022-07-21
প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক শেরপুরে ১৬১ গৃহ হস্তান্তর

শেরপুর জেলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ১৬১টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ হস্তান্তর করা হয়েছে। মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ তৃতীয় পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে সারাদেশে ২৬ হাজার ২২৯টি নির্মিত ওই ঘর গুলো ২১ জুলাই বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে ওইসব ঘরের চাবি, জমির দলিল ও কবুলিয়ত হস্তান্তর উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি উদ্বোধন শেষে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহনাজ ফেরদৌস এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক সাহেলা আক্তার সদর উপজেলার ৪৪ জন ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে ঘরের চাবি, জমির দলিল ও কবুলিয়ত তাদের হাতে তুলে দেন। এর মধ্যে সদর উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নে ৮টি, ধলা ইউনিয়নে ৪টি, রৌহা ইউনিয়নে ১৮টি, চরশেরপুর ইউনিয়নে ৬টি ও কামারেরচর ইউনিয়নে ৮টি। 

এসময় পুলিশ সুপার মো. হাসান নাহিদ চৌধুরী, জেলা পরিষদ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপ-সচিব) সাইয়েদ এ.জেড মোরশেদ আলী, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মোখলেসুর রহমান আকন্দ, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোবারক হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফখরুল মজিদ খোকন, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, শেরপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১ মো. নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাবিহা জামান শাপলা, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা খবিরুজ্জামান খাঁন, প্রেসক্লাব সভাপতি মো. শরিফুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. মেরাজ উদ্দিন, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা শেরপুর জেলা ইউনিটের সভাপতি আছাদুজ্জামান মোরাদ, সাধারণ সম্পাদক জিএইচ হান্নান, শেরপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি মানিক দত্ত, সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নাঈম মো. নাহিদ হাসান, পাকুড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. হায়দার আলী, গাজীরখামার ইউপি চেয়ারম্যান মো. আওলাদুল ইসলাম আওলাদ, কামারেরচর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান, চরমোচারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এসএম সাব্বির আহমেদ, ধলা ইউপি চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেনসহ গণমাধ্যমকর্মী ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২ লাখ ৭৯ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে জেলায় ওইসব ঘর নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ৪ কোটি ৭৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা।