ঢাকা, শনিবার ২৫শে মে ২০১৯ , বাংলা - 

প্রেম করছেন? জরুরি কাজ করছেন তো?

ডেস্ক।।ঢাকাপ্রেস২৪.কম

রবিবার ২৯শে জুলাই ২০১৮ সকাল ১১:১৩:৫৬

ঝগড়াঝাঁটি হলে সরাসরি কোনও মতামত দেওয়ার বদলে ‘‘আমার মনে হয়...’’ জাতীয় বাক্য বলুন, তাতে ঝগড়ার মীমাংসা হবে সহজে। যেমন,‘‘ তুমি এই জামাটা পরবে না’’...প্রেমের ক্ষেত্রে অনেক সময়েই আমরা খুব জরুরি অথচ সহজ কয়েকটি কাজ এড়িয়ে যাই। এগুলি করে দেখুন, আপনাদের প্রেম আরও গভীর হবে—

১. সঙ্গী/সঙ্গিনীকে বোঝান যে, আপনি তার খেয়াল রাখেন। কলেজ থেকে সে যখন সে ফিরছে, একটা মেসেজ করুন ‘সাবধানে ফিরিস’। একসঙ্গে সিনেমা দেখে ফেরার পথে তাকে বাসে তুলে দেবার পরে নিজের বাড়ির পথ ধরুন, তার আগে নয়। এইটুকু করলেই দেখবেন, সম্পর্কে আসবে নতুন মাত্রা।

২. প্রেমিক বা প্রেমিকার গোপন কথা গোপনই রাখুন। বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করার সময়ে অকারণে ‘‘জানিস তো, ঋতুপর্ণাদের বাড়িতে না...’’ বলে আপনার বান্ধবীর গোপন কথা ফাঁস করে দেবেন না। সে আপনাকে বিশ্বাস করে যে কথা বলেছে তা পাঁচকান করা কি ঠিক? ভেবে দেখুন তো, তার গোপন কথাগুলো আপনি বন্ধুদের বলে বেড়াচ্ছেন একথা জানলে সে কতখানি দুঃখ পাবে!

৩. মন খুলে কথা বলুন নিজের সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে। মনে রাখবেন, সমস্যার কথা যত চেপে রাখবেন সমস্যা তত গভীর হবে। সমস্যা সমাধানের প্রথম ধাপ— তা নিয়ে আলোচনা করা।

৪. ঝগড়াঝাঁটি হলে সরাসরি কোনও মতামত দেওয়ার বদলে ‘‘আমার মনে হয়...’’ জাতীয় বাক্য বলুন, তাতে ঝগড়ার মীমাংসা হবে সহজে। যেমন,‘‘ তুমি এই জামাটা পরবে না’’,— এটা সরাসরি বলার চেয়ে ‘‘আমার মনে হয় তোমার এই জামাটা না পরাই উচিত’’,— এভাবে বললে দেখবেন, আপনার সঙ্গীর পক্ষে আপনার কথা মেনে নেওয়া অনেক সহজ হবে।

৫. একসঙ্গে কাজ করার অভ্যেস গড়ে তুলুন। কাজের মাধ্যমে পরস্পরকে চেনা যায় অনেক গভীরভাবে। একসঙ্গে ঘোরা-বেড়ানো তো রইলই। পাশাপাশি দু’জনে কাজও করুন কিছু। বন্ধু হয়ত বই কিনতে যাবে। সঙ্গে চলে যান তার। কোন বই ভাল, কোনটা খারাপ তা বেছে নিতে সাহায্য করুন তাকে। দেখবেন এতে আপনাদের বন্ধন আরও দৃঢ় হবে।

৬. প্রতি সপ্তাহে নিয়ম করে কিছুটা সময় একসঙ্গে কাটান। যতই ব্যস্ততা থাক, ভালবাসার মানুষের জন্য কিছুটা সময় বার করুন। ফোন কিন্তু কখনই মুখোমুখি কথা বলার বিকল্প হতে পারে না।