ঢাকা, মঙ্গলবার ২৪শে নভেম্বর ২০২০ , বাংলা - 

বাকশালে যোগ দেয়া ৯ সম্পাদক,৫২৮ সাংবাদিক...

সোহেল সানি

মঙ্গলবার ১লা সেপ্টেম্বর ২০২০ সকাল ০৯:৫৩:৪৩

"আপনার মহান নেতৃত্বে এক দীর্ঘ সংগ্রামের পর বাংলাদেশ ও বাঙালী জাতির অভ্যুদয় ঘটেছে। আমরা বিশ্বাস করি মুক্তিযুদ্ধের মতই পরিপূর্ণ একতার মাধ্যমে একনেতা ও একদলের নেতৃত্বে আপনার দ্বিতীয় বিপ্লবও সফল হবে। তাই আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেলে আমরা গৌরববোধ করবো...।" ১৯৭৫ সালের ২ জুন বঙ্গবন্ধুর বরাবরে দেশের সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার ৯ জন সম্পাদকের বাকশালের সদস্যপদ লাভের জন্যে করা আবেদনপত্রের ভাষা বর্ণিত হয়েছিল এভাবেই। তাদের মধ্যে বাকশালের কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পান ওবায়দুল হক, আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, মিজানুর রহমান।

এছাড়াও বঙ্গবন্ধু জাতীয় জীবনের এক চরম সন্ধিক্ষণে দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দেয়ার পর ৫২৮ জন সাংবাদিক স্বেচ্ছায় বাকশালে যোগদান করেন।

কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যার পর এদের অধিকাংশই বাকশাল ও বঙ্গবন্ধু বিরোধী ভুমিকায় অবতীর্ণ হন। এদেরই সম্পাদকীয়তে এবং লেখনীতে রাতারাতি বঙ্গবন্ধু কিংবা জাতির পিতা হয়ে যান মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান। উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ২৩ মে শুক্রবার ২২৪ জন এবং ৪ জুন বুধবার ৩০৪ জন সাংবাদিক লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে বাকশালের সাধারণ সদস্যপদ লাভ করেন।

তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও বাকশাল চেয়ারম্যান বঙ্গবন্ধুর বরাবরে লিখিত সেই আবেদনের শুরুটা ছিল, "মহান নেতা বঙ্গবন্ধু, জাতীয় জীবনের এক চরম সন্ধিক্ষণে আপনার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক, দেশবাসীর মনে নবতর প্রত্যয়ের সূচনা করেছে। আজ এ কথা সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, একমাত্র দ্বিতীয় বিপ্লবের সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমেই জাতির অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক মুক্তির নিশ্চয়তা বিধান করা সম্ভব। এই দেশের সার্বিক অগ্রগতির শুভক্ষণে দলমত এবং শ্রেণীনির্বিশেষে সবার সম্মিলিত উদ্যম এবং কর্মধারা আজ সবচাইতে বেশী প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। আপনার দ্বিতীয় বিপ্লবের সুমহান কর্মসূচির মাধ্যমেই জাতির আশা আকাঙ্ক্ষার সঠিক বাস্তবায়ন সম্ভব। এ বিষয়ে স্থির বিশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতেই আমরা দেশের একমাত্র জাতীয় দল বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগে যোগদান করার জন্যে অনুমতি প্রার্থনা করছি।

অতএব, আমাদেরকে দলের সদস্যপদ দানের অনুমতি দিয়ে আপনার মহান নেতৃত্বে জাতির সেবা করার সুযোগ দিয়ে বাধিত করবেন।"

বিভিন্ন সংবাদপত্র ও বার্তা সংস্থায় কর্মরত ৫২৮ জন সাংবাদিক রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের আবেদনপত্র জমা দেন।

বঙ্গবন্ধু সাংবাদিকদের অনেককে দেখে বলেছিলেন, "আরে তুইও এসেছিস, আপনিও এসেছেন, আরে এ যে দেখছি দাদাভাইও এসেছেন। আমার বুক ভরে গেছে। বাকশালের দ্বিতীয় সম্পাদক শেখ ফজলুল হক মনি ও অঙ্গ ফ্রন্ট জাতীয় যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল আহমেদের দিকে তাকিয়ে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, সাংবাদিকরা যখন আমার সঙ্গে এসেছে তখন আমার আর কোন ভয় নেই। দুর্নীতি উচ্ছেদ করে সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গড়বো ইনশাআল্লাহ।"

'৭৫ সালের ২৩ মে  সাংবাদিক বজলুর রহমান ২২৪ জন সাংবাদিকদের স্বাক্ষরযুক্ত আবেদনপত্রটি বঙ্গবন্ধুর হাতে তুলে দেন।  পরবর্তীতে ৪ জুন ৩০২ জন সাংবাদিকের স্বাক্ষরিত যৌথ আবেদনপত্রটি বঙ্গবন্ধুর হাতে তুলে দেন সাংবাদিক সন্তোষ গুপ্ত। এর আগে নামের তালিকা পাঠ করেন বাংলাদেশ অবজারভারের তৎকালীন সিনিয়র রিপোর্টার সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরী।

"সময়ের কাজ সময়ে করা" উক্তিটি করে রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, "সাংবাদিকতার সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে দেশের সংবাদপত্রসমূহের জন্যে একটি নতুন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হবে। নতুন ব্যবস্থা যাই হোক না কেন তাতে কোন সাংবাদিকই কর্মচ্যুত না হন সেদিকে লক্ষ্য রাখা হবে।"  

বঙ্গবন্ধুকে নির্দিষ্টসংখ্যক পত্রিকা রেখে বাকী সব বন্ধ করে দেয়ার পরামর্শ যেসব প্রবীণ সাংবাদিক দিয়েছিলেন, তাদের প্রায় সবাই বঙ্গবন্ধু হত্যার পর প্রচার করেন যে, বঙ্গবন্ধু সংবাদপত্রের কন্ঠরোধ করেন। অথচ, বঙ্গবন্ধুই দৈনিক পত্রিকার পৃষ্ঠা সংখ্যা ষোল করেন এবং যারা সাংবাদিক পেশায় থাকতে চান, তাদের সেখানেই পুনর্বাসন করেন। তরুণ উদ্যমী সুশিক্ষিত  সাংবাদিকদের রেডিও টেলিভিশন, তথ্য অধিদপ্তর, পিআইবিসহ প্রশাসনের সর্বত্র মর্যাদাপূর্ণ পদে নিয়োগ প্রদানের ঘোষণা দেন। হত্যার শিকার হওয়ার দেড়মাস "৭৫ সালের ১ জুলাই সংস্থাপন মন্ত্রণালয় একটি সার্কুলার জারির মাধ্যমে   বঙ্গবন্ধুর ঘোষণারও  বাস্তবায়ন করে। ফলে  উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাংবাদিক বড় বড় সরকারি পদে চাকরি লাভ করেন। কিন্তু  বঙ্গবন্ধু হত্যার পর সাংবাদিকদের একটা অংশ "১৬ জুনকে কালো দিবস" হিসেবে পালন করে আসছেন এবং অনেকেই জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত "বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ" প্রতিষ্ঠার পক্ষে বিশিষ্ট ভুমিকা রাখেন। বর্তমানে আওয়ামী ঘরনার সাংবাদিক নেতা বলে পরিচিত অনেকের নাম দেখা যায় স্বাধীনতা বিরোধী নরঘাতক গোলাম আজমের নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দেয়ার পক্ষে স্বাক্ষরযুক্ত সংবাদপত্রের বিবৃতিতে।

১৯৭৫ সালের ২ জুন বাকশালে যোগদান করেন দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, বাংলাদেশ অবজারভারের সম্পাদক ওবায়দুল হক, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার সম্পাদক জাওয়াদুল করিম, দৈনিক বাংলার সম্পাদক  নূরুল ইসলাম পাটোয়ারী,  দৈনিক পূর্বদেশ সম্পাদক এহতেশাম হায়দার চৌধুরী, মনিং নিউজ সম্পাদক শামসুল হুদা,  দৈনিক সংবাদ ভারপ্রাপ্ত  

সম্পাদক বজলুর রহমান, দৈনিক টাইমস নির্বাহী সম্পাদক শহীদুল হক ও বিসিআই সম্পাদক মিজানুর রহমান।

বাকশালে সদস্য পদলাভকারী ৫২৮ সাংবাদিক হলেনঃ


ইত্তেফাক

আনোয়ার হোসেন মঞ্জু (সম্পাদক)

রাহাত খান, হাবিবুর রহমান মিলন, গোলাম সারওয়ার, হাসান শাহরিয়ার, জহিরুল আলম, শফিকুল কবীর,আবুল কালাম আজাদ, শাহজাহান রেজা, সফিউল্লাহ, শিলাব্রত বড়ুয়া, ফিরোজ আহমদ, জহিরুল আলম, আবদুল বাতেন, জাকারিয়া মিলন, খায়রুল আলম,    তোফাজ্জল হোসেন, আফতাব আহমেদ, জাহিদুজ্জামান ফারুক,  শাহীন রেজা, শাহজাহান আলী আজাদ, বজলুর রহমান, আবু সুফিয়ান, এমদাদুল হক, আব্দুর রশীদ, ইয়াসিন আহমেদ, আবু তাহের, নজমুল হক, শাহাবুদ্দীন ভূইয়া, সিরাজুল হক, কাজী মোস্তাফিজুর রহমান, সৈয়দ রায়হান উল্লাহ, আলী আজাদ।

ডেইলী অবজারভার,

ওবায়দুল হক (সম্পাদক)  ইকবাল সোবহান চৌধুরী, রিয়াজউদ্দিন আহমেদ,   বুদ্ধদেব মুখার্জি, তাজুল ইসলাম চৌধুরী, মঞ্জুর কাদের আনোয়ার হোসেন, খলিলুর রহমান, তরুণ তপন চক্রবর্তী, জোসেফ ইজায়েক, সিনিয়র সাব এডিটর এ এস এম এ খালেক, সাহদুজ্জামান খান, সৈয়দ মর্তুজা আলী, নজরুল ইসলাম, আজিজ আহমদ, জাওয়াদুর রহমান, মোহাম্মদ আমির হোসেন, মোহাম্মদ নূরুল হুদা, মাশুকুল হক, মোহাম্মদ মফিজ উল্লাহ,  রফিকুল ইসলাম, কাজেমউদ্দিন আহমদ, মোহাম্মদ আতিকুল্লাহ, মাইকেল কলেট, খন্দকার আবুল হাসান, মাহমুদুল হক চৌধুরী, এম রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, মোহাম্মদ আবু হোসেন, শেখ শহীদুল ইসলাম, আবদুল গোফরান, মোহাম্মদ আশরাফ আলী, আবদুল হাই, মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ, ফজলুল বারী চৌধুরী, আবদুল মতিন, শ্রী মদন, হাসানুজ্জামান চৌধুরী, মোহাম্মদ মাছুম, আনিস আহমেদ, কাজী মকসুদুল হাসান, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, শহিদুল ইসলাম, ডিপি বড়ুয়া, এএসএম হাবিবউল্লাহ, আব্দুর রহিম, ফটোগ্রাফার মোয়াজ্জেম হোসেন বুলু ও মোকাদ্দস আলী।  


জাতীয় প্রেসক্লাবঃ

ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আজিজ মিসির (বাংলার বানী), ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক আলী নূর (পূর্বদেশ) কোষাধ্যক্ষ জহিরুল হক।


বাংলার বানীঃ

আজিজ মিসির,

ফারুক কাজী, আব্দুল করিম, নাজিমুদ্দিন মানিক, অভিনয় কুমার দাস, মতিউর রহমান, আমির খসরু, আব্দুস সালাম, সৈয়দ মোস্তফা হোসেন, খন্দকার তোজাম্মেল হোসেন, রকিব সিদ্দিকী,   মোহাম্মদ মফিজুর রহমান, আবদুল করিম মোল্লা, মোহাম্মদ আবদুর রহমান, কাজী রশিদুল পাশা, শেখ গোলাম মোস্তফা, মতিউর রহমান,

আশরাফ খান, ওয়াহিদ রশীদ মুরাদ, আবিদুল রহমান, কাজী নজরুল ইসলাম, সাদেকুল হক, আব্দুস সাত্তার, জাহানারা বেগম, আবদুল মাজেদ চৌধুরী,      ফটোগ্রাফার রফিকুর রহমান, সালেহ আহমেদ,   এ ওয়াদুদ ফরিদী, হামিদুর রহমান, নূরুল ইসলাম মোড়ল, শহীদুল হক, ওয়াকিল আহমেদ, মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ, মফিজুর রহমান, বিমান ভট্টাচার্য, সংশোধনী বিভাগঃ আবদুল মান্নান সরকার, হালিমুর রশীদ, মোহাম্মাদ নূরুল ইসলাম।


বাসসঃ

জাওয়াদুল করিম (সম্পাদক)

জগলুল আহমেদ চৌধুরী, স্বপন কুমার সাহা, আজিজুল ইসলাম ভূইয়া, হামিদুজ্জামান,  নজরুল ইসলাম, সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান, সৈয়দ মাহমুদ, জহুরুল আলম, তবিবুল ইসলাম, সৈয়দ আহমদ জামান, ইরসাদুল হক, আমিনুল ইসলাম, এন কে আলম চৌধুরী, এম এ মোহসীনা, মোজাম্মেল হক, এহসানুল করিম হেলাল, শামসুদ্দিন আহমেদ মেসবাহউদ্দিন আহমেদ,    হাসানুজ্জামান খান,  মোসানুজ্জামান,   দেলোয়ার হোসেন।


পূর্বদেশ

এহতেশাম হায়দার চৌধুরী (সম্পাদক)

আজমল হোসেন খাদেম,  মতিউর রহমান চৌধুরী, হেলাল হাফিজ, খালেদা এদিব চৌধুরী, সৈয়দ রেদোয়ানুর রহমান, আমিনুল ইসলাম, সালাউদ্দিন চৌধুরী, মাওলা চৌধুরী, আনোয়ার আহমদ,   শাহানুর খান, শামসুল হক আলী নূর, ইউসুফ পাশা, মাজেদুর রহমান বিশ্বাস, ফজলে রশিদ, রঞ্জু ইসলাম, কাজী হাসান হাবিব, মেহেরুন্নেসা, জিয়াউল হক, আব্দুল মান্নান, হাফিজ আহমদ, নূরুল ইসলাম, আব্দুল মতিন, ওহিদুর রহমান, আব্দুর রশীদ,হালিম চৌধুরী, সাজ্জাদুল করিম, রঞ্জন কিশোর চৌধুরী, ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, সামিউল আহমদ খান,  সলিমুল্লাহ, আবু ইউসুফ, সাবিরুদ্দীন আহমদ, আঃ মান্নান, ওয়াসেকপুরী আব্দুল মজিদ কামালী, শহীদ এনায়েত উল্লাহ, আবুল হাশেম, জহিরুল হক চৌধুরী, মোহাম্মদ আবুল কালাম, গোলাম রহমান, লুৎফর রহমান, শফিকউদ্দিন আহমদ।

মনিং নিউজ

শামসুল হুদা (সম্পাদক)

আবুল হাসান আহমেদ আলী, আশরাফ আলী, এম ফখরুদ্দিন, সৈয়দ কামরুজ্জামান, রহমত আলী, আনোয়ার আলী চৌধুরী, মোহাম্মদ ইসা, আজিজুল হক, আবু জাফর শেখ, সঞ্চয় বড়ুয়া, হামিদুজ্জামান, বিনোদ দাস গুপ্ত, বার্ণার রোজারিও, জয়নাল আবেদীন, ওয়াহিদুল ইসলাম, সুফিয়া সুলতানা, আনোয়ারা বেগম, সৈয়দা শাহানা,

আমিনুল ইসলাম, বাদল নাগ, ইকরামুল হক, নূরউদ্দিন আহমেদ,  মোহাম্মদ মহিউদ্দিন,  শামসুল হক, লাল ভাই,  

আমিনুর রহমান, নিজামুদ্দিন, খন্দকার এ রাজ্জাক, খন্দকার মশিউজ্জামান, জালাল উদ্দিন, মনিরুজ্জামান, এম ডি আর রব, হাবিলুদ্দিন, সেলিম রাব্বানী, এম ডি নোয়াবালী।


দৈনিক বাংলা

নূরুল ইসলাম পাটোয়ারী (সম্পাদক),আহমেদ হুমায়ুন, সানাউল্লাহ নূরী, মাসির হোসেন, তারেক শামসুর রহমান, আহমেদ নূরে আলম, সুনীল ব্যানার্জি, আবদুল হান্নান, মঈনুল আলম, খালেকুর রহমান, আব্দুল হান্নান, আমিরুল ইসলাম, সৈয়দ আব্দুল খায়ের, আবদুল খালেক খান,মোহাম্মদ মাহতাব, আজহার আলী, আফজাল প্রামাণিক, ফখরুদ্দিন ইকবাল, জহিরুল হক, আব্দুল আউয়াল, শামসুল আলম, ইসহাক চাখারী, মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম, আলমাজী, গোলাম মওলা, আনসারী, মোখলেছুর রহমান, রেজওয়ান হোসেন সিদ্দিকী, গোলামুর রহমান, শওকত আনোয়ার, মাফরুহা চৌধুরী, আফলাতুন, আবদুল খালেক, আলমগীর সোবহান, আনোয়ার হোসেন, নির্মলেন্দু ভৌমিক, মোহসীন আলী খান, মোস্তফা কামাল, আব্দুস সালাম, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন আব্দুস শহীদ, হেদায়েত হোসেন, মোশাররফ হোসেন, আব্দুল হালিম, মোহাম্মদ মাসুদ।


দৈনিক আজাদ

সুলতান আহমেদ, সাদরুল হাসান খান,  শফিকুল আলম আজাদ, আব্দুল মালেক, জিএম সোবহান, শেখ রকিব উদ্দিন, শফিকুল আলম কাজল, মহিউদ্দিন শেখ, ফজলুর রহমান, আবদুল মান্নান হাওলাদার, নোমান চৌধুরী, সাইয়েদা খুদসিয়া হাসান, হোসনে আরা বেগম, শাহজাহান আলী, মোজাফফর হোসেন, এ এই এম হোসেন, এম সোবহান আলী, ফাতেমা আনসারী, মনওয়ার হোসেন, শফিউল আলম, মোহাম্মদ নূরুল হাই, সৈয়দ শফিউর রহমান, গাজী রফিকুল ইসলাম, কাজী আফতাব উদ্দিন, মোকতাদির আহমেদ রহমান, মতিউর রহমান বাচ্চু।


সংবাদ সংস্থা এনা

মতিয়ুর রহমান,

গাজীউল হাসান খান, সেরাজউদ্দিন, হোসেন নূর আলম, মোহাম্মদ উল্লাহ, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, তুঘলক খান, সিরাজুল কবির।


দৈনিক জনপদ

কেজি মুস্তাফা,

বোরহান আহমদ, আব্দুর রহমান খান, খলিলুর রহমান শরীফ, বদরুদ্দীন আহমেদ চৌধুরী, আবদুল ওয়াহাব,  মোসলেম আলী বিশ্বাস,

মাহবুবুর রশিদ, সৈয়দ আকরাম, আলতাফ উদ্দিন আহমেদ, মোহাম্মদ রমজান আলী, সুফি গোলাম মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ ইউসুফ, নজীর আহমদ, হামিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ হেমায়েত উদ্দিন, নজরুল ইসলাম বুলবুল, শাহাদাত হোসেন বুলবুল, মোহাম্মদ আবদুল হাই, আফতাব উদ্দিন আহমেদ, আতাউল হক মল্লিক, ফিরোজ উদ্দিন রহমত ই খোদা, মোজাম্মেল হক, বাবুল আখতার, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, কাজী রশিদ, এস এম গোলাম মওলা, আমিনুল ইসলাম, আবদুল কাদের, জাফর আলম, খলিলুর রহমান শরীফ, ওবায়দুল হক কামাল। মোজাম্মেল হক, এহসানুল করিম হেলাল,  শামসুদ্দিন আহমেদ,  


বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা  

জাওয়াদুল করিম,

জগলুল আহমেদ চৌধুরী, স্বপন কুমার সাহা, মোকাররম হোসেন,   এন কে আলম চৌধুরী, আমিনুল ইসলাম,  নজরুল ইসলাম,  সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান,        সৈয়দ আহমদ জামান, ইরশাদুল হক, মোহাম্মদ মোসানুজ্জামান, সৈয়দ মাহমুদ, নজরুল ইসলাম,  সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান, সদরুল হাসান,  মেসবাহউদ্দিন আহমেদ,  এ এফ এম হাবিবুর রহমান, এম এ মোহসীন, সৈয়দ মাহমুদ, জহুরুল আলম, মোহাম্মদ মোসানুজ্জামান, একেএম তবিবুল ইসলাম।


দৈনিক সংবাদ  

বজলুর রহমান,

সন্তোষ গুপ্ত, আবু আল সাইদ, বেবী মওদুদ, জীবন চৌধুরী,  তোজাম্মেল আলী, মোহসীন খায়রুল আনাম, এম বশির আহমেদ, রেজাউল হক সরোজ, হারুনুর রশীদ খান, আহসান আহমেদ, কমদা প্রসন্ন ভৌমিক, জিএম ইয়াকুব, ওয়াসিল উদ্দিন, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, রওশন আরা জলি, অমূল্য সরকার, আবদুল মজিদ, জীবন কুমার চক্রবর্তী, মিজানুর রহমান, অজর বড়ুয়া,   হাসান আলী, আবুল হাসনাত, বাসুদেব ধর, আবুল হাশেম, কাজী জাফরুল ইসলাম, রুহুল আমিন উদবেল, মোহাম্মদ আতাউর রহমান, মজিবর রহমান বাদল, সুধীর চৌধুরী, কাজী আনোয়ারুল ইসলাম, চপল বাশার,

হাবিবউল্লাহ রানা, আব্দুর রহমান, সৈয়দ মাহবুবুল আলম, এন এম আয়াতুল্লাহ, মোহাম্মদ নূর জালাল, আবদুল মোমিন, বাবু লাল সাহা, শহিদুল ইসলাম, শান্তিময় বিশ্বাস, মোহাম্মদ নূর আলম, স্বপন দত্ত, বিপদ ভজন সেন কর্মকার।  


বাংলাদেশ টাইমস

শহীদুল হক, আলমগীর মহিউদ্দিন, মাহফুজ আনাম, আমানউল্লাহ কবীর, মোস্তফা তারিকুল আলম, মুহাম্মদ মোজাফফর হোসেন,   হাসানুজ্জামান খান, এ এম মোফাজ্জল,

খন্দকার মনিরুল আলম,  সৈয়দ শাহজাহান, মোহাম্মদ আমিনুল হক, আশরাফুল আলম, মোহাম্মদ বজলুল হক, মোহাম্মদ শমসের তাবরেজ খান মন্টু, মোহাম্মদ শাহজাহান আলী, শামিম আহমেদ নাসিম, মুজাম্মেল হক,  মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন, আসাদুজ্জামান খান, কাজী মোহাম্মদ বখশ, আমিন আহমেদ চৌধুরী, সদরুল হাসান,   মৃণাল কৃষ্ণ রায়,  

আব্দুল্লাহ এম হাসান, হোসেন কামাল, এ এন এম লুৎফর রহমান, এম ডি আর খালেক ভুইঁয়া, আইউব রেজা।


বিচিত্রা

শেখ আবদুর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক, সৈয়দ এনায়েত, আতিয়ার রহমান।


বিবিধ

আতিয়ার রহমান, বিএ আজাদ (গণকন্ঠ), আফতাব উদ্দিন (দেশবাংলা), মাহবুবুর রহমান রুশো ( দি পিপল), মোহাম্মদ মুতরিব (দি পিপল),

সৈয়দ এনায়েত (চিত্রালী)  মোসলেম খান (সমাজ)।

উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে এঁদের অনেকেই পরলোকগমন করেছেন।


লেখকঃ সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট।