ঢাকা, মঙ্গলবার ২৪শে নভেম্বর ২০২০ , বাংলা - 

বিদ্যুতে ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছি, মিতব্যয়ী হোন

স্টাফরিপোর্টার।।ঢাকাপ্রেস২৪.কম

বৃহঃস্পতিবার ২৭শে আগস্ট ২০২০ বিকাল ০৫:১১:০১

বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ অনেক বেশি হওয়া সত্ত্বেও ভর্তুকি দিয়ে তা গ্রাহকদের কাছে সরবরাহ করা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অহেতুক বিদ্যুৎ অপচয় আপনারা করবেন না।

বৃহস্পতিবার (আগস্ট ২৭) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দুইটি বিদ্যুৎকেন্দ্র, ১১টি গ্রিড উপকেন্দ্র ও ছয়টি সঞ্চালন লাইন এবং ৩১টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাইকে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘গ্রাহকদের অনুরোধ করবো আপনারা বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই মিতব্যয়ী হবেন, সাশ্রয়ী হবেন। অহেতুক বিদ্যুৎ অপচয় আপনারা করবেন না। এতে আপনাদেরই লাভ যে, বিদ্যুতের বিলটা কম উঠবে। অন্তত নিজেদের কথা চিন্তা করে, বিদ্যুৎ বিল যাতে কম উঠে, সেদিকে লক্ষ্য রেখে ব্যবহার করবেন; অপচয়টা বন্ধ করবেন। এটা আমার বিশেষভাবে অনুরোধ। ’

তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ কিন্তু অনেক বেশি হয়। এলএনজি আমদানি করছি। এত বেশি খরচের জায়গায় আমরা কিন্তু এখনও ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছি। অর্থাৎ উৎপাদন খরচ যেটা হয়, তার চেয়ে কম পয়সায় আমরা বিদ্যুৎ সরবরাহ করছি। ’

‘আমাদের অনেক বেশি ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। কিন্তু ভর্তুকি সবসময় দেওয়া সম্ভব নয়। এটাও সবাইকে মাথায় রাখতে হবে। যেহেতু আমরা উন্নয়নের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি করছি, মানুষের অসুবিধগুলো দূর করতে চাচ্ছি। ’

মুজিববর্ষের মধ্যে শতভাগ জনগণ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আসবে আশা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যেকটা ঘরে আলো জ্বালব। শতভাগ বিদ্যৎ আমরা দিতে পারব। ইতোমধ্যে আমরা ৯৭ ভাগ জনগণকে বিদ্যুৎ দিতে সক্ষম হয়েছি। আমি আশা করি, ২০২১ সালের মধ্যেই আমরা শতভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ দিতে পারব। সেভাবে আমরা পরিকল্পনাও নিয়েছি। ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট, যা আমরা এখন ২৩ হাজার ৫৪৮ মেগাওয়াট, আর ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ হাজার মেগাওয়াট এবং ২০৪১ সালে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করব। ’

সরকার সারাদেশে সুষম উন্নয়ন করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যখন কোনো উন্নয়ন করি, তখন নির্দিষ্ট কোনো জায়গাকে অবহেলা করি না। ’