ঢাকা, বুধবার ২৬শে জুন ২০১৯ , বাংলা - 

মনু ও খোয়াই নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে

ষ্টাফরিপোর্টার।।ঢাকাপ্রেস২৪.কম

শনিবার ২৫শে মে ২০১৯ সন্ধ্যা ০৭:৩৬:১৬

বৃষ্টিপাত বৃদ্ধির কারণে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মনু ও খোয়াই নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বাড়ছে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানিও।বাংলাদেশ ও ভারতের আবহাওয়া অফিসের বরাত দিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদীগুলোর পানি সমতলে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

রোববার (২৬ মে) নাগাদ বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন ভারতীয় অংশে বৃষ্টিপাত বাড়বে। যে কারণে সুরমা ও কুশিয়ার নদীর পানি সমতলে বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে।বাড়তে পারে বহ্মপুত্র নদের পানি, তবে স্থিতিশীল থাকবে যমুনা। আর গঙ্গা, যমুনার পানি রোববার হ্রাস পাওয়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকবে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া এক প্রতিবেদনে জানিয়েছেন, মনু নদীর পানি মনু রেলওয়ে ব্রিজে বিপদসীমার ৩৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে ও মৌলভীবাজার পয়েন্টে ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে এবং খোয়াই নদীর পানি বাল্লাহ পয়েন্টে ৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এই দুই নদীর মধ্যে মনু নদীর পানি মুন রেলওয়ে ব্রিজ পয়েন্টে একদিনে ৩৬৮ সেন্টিমিটার, মৌলভীবাজার পয়েন্টে ৪৫১ সেন্টিমিটার ও বাল্লাহতে খোয়াই নদীর পানি ১৮৮ সেন্টিমিটার বেড়েছে।

ওই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে- কামালগঞ্জ, নারায়ণহাট, হবিগঞ্জ, লামা, শেরপুর, সিলেট, ইটাখোলা, শেওলা, বান্দরবনে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল তথা-সিকিম, আসাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরা অঞ্চলে উল্লেখ্যযোগ্য বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের পর্যবেক্ষণাধীন ৯৪ পয়েন্টের মধ্যে শনিবার (২৫ মে) সকাল নাগাদ ৫৪ পয়েন্টে বিভিন্ন নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এদের মধ্যে ৩টি পয়েন্টে দুই নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে আছে। ৩০টিতে কমেছে, অপরিবর্তিত আছে ছয়টি পয়েন্টের পানি। দুইটি পয়েন্টের গেজ স্টেশন বন্ধ আছে, আর গেজ পাঠ পাওয়া যায়নি ২টি পয়েন্টে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদফতর সাগরে বজ্রঝড়ের ঘণঘটা বৃদ্ধির কারণে বন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়া শঙ্কা দেখছেন। যে কারণে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে বলা হয়েছে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাবধানে চলাচল করার জন্য।

তবে আগামী মঙ্গলবার (২৮ মে) নাগাদ তাপমাত্রা বৃদ্ধির পাওয়ার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে বলেছে, বন্দরে সতর্ক সংকেত থাকলেও নেই ভারী বৃষ্টিপাত বা কালবৈশাখীর পূর্বাভাস।