ঢাকা, বুধবার ২৬শে জুন ২০১৯ , বাংলা - 

তিন লাখে মিমি-নুসরত,দু’ লাখে বাবুল জয়ী

প্রতিবেশি ডেস্ক।। ঢাকাপ্রেস২৪.কম

শুক্রবার ২৪শে মে ২০১৯ সকাল ১০:০৪:৩৫

লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের তারকা প্রার্থীদের দিকে নজর ছিল প্রত্যেকেরই। তৃণমূল হোক কিংবা বিজেপি, টলিউডের নক্ষত্ররা ভোটে দাঁড়ালে নজর যে কাড়বেন, তা বলাই বাহুল্য।

টলিউডের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা যেমন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, তেমনই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন বলিউডের গায়ক, বাংলার ছেলে বাবুল সু্প্িরয়ও। তারকা প্রার্থীদের মধ্যে রাজ্য থেকে পরাজিত হয়েছেন মুনমুন সেন। কিন্তু যে প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন, তাঁরা কিন্তু মানুষের কাছে বিপুল ‘আশীর্বাদ’ পেয়েছেন। বড় ব্যবধানে জয়ে এসেছে তাঁদের।

একুশের নির্বাচনের জন্য জোটবদ্ধ হয়ে আদা-জল খেয়ে এখন থেকে কাজ শুরু করতে হবে। জোটবদ্ধ হয়ে কাজ করা এই সময় অত্যন্ত জরুরি, বলছেন যাদবপুরে থেকে জয়ী প্রার্থী টলিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী।


মিমি তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ২,৯৫,২৩৯ ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী অনুপম হাজরাকে। সিপিএম প্রার্থী দুঁদে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন মিমির সঙ্গেই।

ঘাটাল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন টলিউডের নায়ক, দেব। দু’ দু’ বার ঘাটাল তাঁকে নির্বাচনে জয়ী করল। দেবের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষের সঙ্গেই মূলত।দেবের জয়কে সৌজন্যের জয় হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল। দেব জয়ী হলেন ১,০৭,৯৭৩ ভোটে।

হুগলি থেকে বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। অভিনয় থেকে কার্যত অবসর নিয়েছেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী।

লকেট চট্টোপাধ্যায় হারালেন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রতœা দে নাগকে। লকেট জিতলেন ৭৩,৩৬২ ভোটে।

বসিরহাট কেন্দ্র থেকে তৃণমূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন টলিউডের গ্ল্যামারাস নায়িকা নুসরত জাহান। প্রথম দিন থেকেই নিজের কেন্দ্রের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছনোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নুসরত।

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী সায়ন্তন বসুর থেকে নুসরত এগিয়ে রয়েছেন বিপুল ব্যবধানে। নুসরত এগিয়ে রয়েছেন ৩,৫০,৩৬৯ ভোটে।

আসানসোল থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন মুনমুন সেন। মুনমুনের বিপরীতে দাঁড়িয়েছিলেন জনপ্রিয় গায়ক বাবুল সুপ্রিয়। বাবুল এর আগেও সাংসদ ছিলেন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালনও করেছেন।

রাজনীতির আঙিনায় পা রেখেই বাবুল বলেছিলেন, লম্বা রেসের ঘোড়া তিনি। প্রমাণও করলেন বাবুল সে কথা। ১,৯৭,৬৩৭ ভোটে জিতলেন বাবুল।

শতাব্দী রায়, রাজনীতির আঙিনায় নতুন নয়। বীরভূম থেকে আগেও দু’ বার জিতেছেন টলিউডের এই অভিনেত্রী। জয়ের হ্যাটট্রিক করলেন তিনি। সাংসদ হিসাবে শতাব্দীকে বেশ পছন্দ করেন এলাকাবাসী, নেত্রী বলেন এমনটাই।

তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন তিনি এ বছরেও। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি নেতা দুধকুমার মণ্ডলকে পরাজিত করলেন ৮৮,৯২৪ ভোটে।